প্রিয় পাঠক, ফিড মিলের কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে অত্যন্ত একটি গুরুত্বপুর্ণ টেস্ট হচ্ছে – ছাই বা Ash Test ।তো চলুন প্রথমেই জেনে নিই  ছাই বা Ash কি?

#ছাই বা অ্যাশ হচ্ছে – একটা স্যাম্পলে উপস্থিত মোট ইনঅর্গানিক ম্যাটার। স্যাম্পলকে একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে বার্নিং করলে যে অবশিষ্ট অংশ থাকে সেটাই হচ্ছে ছাই বা অ্যাশ। তো চলুন এবার জেনে নিই কিভাবে ল্যাবরেটরিতে এই ছাই বা অ্যাশ টেস্ট করতে হয়?

ল্যাব টেস্ট – ছাই বা Ash Test

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কেমিক্যালঃ

  • স্যাম্পল
  • ব্লেন্ডার মেশিন
  • ক্রুসিবল
  • এনালাইজ্যিক্যাল ব্যালেন্স
  • মাফেল ফার্নেস মেশিন
  • ডেসিকেটর

ছাই বা Ash Test করার পদ্ধতিঃ

  • প্রথমে একটি খালি ক্রুসিবল ওজন করে নিতে হবে
  • এরপরে প্রায় ২ – ৩ গ্রাম পরিমাণ স্যাম্পল ওজন করে ক্রুসিবলে নিতে হবে
  • ওজন করে স্যাম্পল সহ ক্রুসিবলটি একটি মাফেল ফার্নেসে ৭৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ২ – ২.৫ ঘন্টা রাখতে হবে
  • ২ – ২.৫ ঘন্টা রাখার পরে মাফেল ফার্নেস বন্ধ করে দিতে হবে
  • এরপরে তাপমাত্রা যখন ৩০০ ডিগ্রি সেঃ এর নিচে নামবে তখন মাফেল ফার্নেস খুলে ক্রুসিবলসহ স্যাম্পল টি ডেসিকেটরে ৩০ মিনিট ঠান্ডা করতে হবে
  • এরপরে আবার ওজন করতে হবে
  • পরের ওজন অর্থ্যাত অ্যাশ সহ ক্রুসিবলের ওজন থেকে খালি ক্রুসিবলের ওজন বিয়োগ করলে যা থাকে সেটাই অ্যাশ
  • এরপরে স্যাম্পলের ওজন থেকে গানিতিকভাবে অ্যাশ এর শতকরা বের করতে হবে
  • সূত্রঃ Ash %  = {(Ash wt. with Crucible) – (Crucible wt.) / Sample weight} x 100 %

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here