ফিড মিলের কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে সাধারণত বিভিন্ন টেস্টের জন্য স্পেসিফিক মেশিন এবং সংশ্লিষ্ট টেস্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও গ্লাসওয়্যার থাকে। তবে একটা ল্যাব বিভিন্ন কম্পানির বিভিন্ন মেশিন দিয়ে সাজানো যায়। এক একটা মেশিনের স্পেসিফিকেশন ও হয় ভিন্ন ভিন্ন। কার্য প্রণালী ও ভিন্ন ভিন্ন। মূলত প্রযুক্তির দিনকে দিন আপগ্রেডেশনের কল্যাণে মেশিনের আপগ্রেডেশন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যেমন ক্রুড প্রোটিন টেস্ট করার জন্য ফস মেথড করা হয়, তেমনি আবার জেলডাল মেথডে ও করা যায়। আবার আরো উন্নত আপগ্রেডেড প্রযুক্তি হচ্ছে Near Infra Red Technology (NIR) – এই প্রযুক্তিতে মাত্র একটি NIR মেশিন দিয়েই মাত্র কয়েক সেকেন্ড বা মিনিটেই স্যাম্পলের বেশ কয়েকটি টেস্ট সম্ভব। ব্যয়বহুল এই প্রযুক্তি এবং মেশিন নিয়ে ভিন্ন কোনো পর্বে আলোচনা করব। তাই এই পর্বে শুধুমাত্র আমি যে ল্যাবের দায়িত্বে আছি সেখানে যেসকল মেশিনারিজ রয়েছে সেগুলা নিয়ে আলোচনা করব।

আমরা মুলতঃ এই মেশিনারিজ গুলোকে ২ টি ভাগে উপস্থাপন করব।

  • ©) প্রধান মেশিনারিজ
  • ®) অন্যান্য আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি

©) প্রধান মেশিনারিজঃ   

  • ১) হট এয়ার ওভেনঃ এই ওভেনের সাহায্যে মুলত ময়েশ্চার বা আদ্রতা টেস্ট করা হয়। এছাড়া ড্রাই করার জন্যও এটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • ২) মাফেল ফার্নেসঃ এই মেশিনের সাহায্যে এ্যাশ টেস্ট করা হয়।
  • ৩) ডাইজেশন এন্ড ডিস্টিলেশন এপারেটাস (জেলডাল মেথড)ঃ মুলত এই মেশিনের সাহায্যে ফিড এবং ফিডের বিভিন্ন কাচামালের ক্রুড প্রোটিন টেস্ট করা হয়।
  • ৪) সক্সলেটস এপারেটাসঃ এই মেশিনের সাহায্যে ক্রুড ফ্যাট বা ইথার এক্সট্রাক্ট টেস্ট করা হয়।
  • ৫) হিটার এন্ড স্টিয়ারারঃ এই মেশিনের সাহায্যে ক্রুড ফাইবার টেস্ট করা যায়।
  • ৬) ডেসিকেটরঃ মুলতে ডেসিকেটরে গরম জিনিস ঠান্ডা করা হয়ে থাকে।
  • ৭) এনালাইজ্যিক্যাল ব্যালেন্সঃ এই ব্যালেন্সের সাহায্যে মুলত স্যাম্পল ও অন্যান্য জিনিস ওজন করা হয়।
  • ৮) ওয়াটার ডিস্টিলার (ব্রয়লার মেশিন)ঃ এই মেশিনের সাহায্যে সাধারণ পানিকে ডিস্টিল ওয়াটারে পরিনত করা হয়।
  • ৯) ব্লেন্ডার মেশিনঃ স্যাম্পল ব্লেন্ডিং করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
  • ১০) এসিঃ ল্যাবের পরিবেশের তাপমাত্রা কন্ট্রোল করার জন্য।
  • ১১) ফ্রিজঃ বিভিন্ন জিনিস সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
  • ১২) ডেক্সটপ/ল্যাপটপঃ সফটওয়্যার বা এক্সেল সিটে টেস্টের রেজাল্টের ডাটা ইনপুট দেয়া,প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস তৈরি ও প্রিন্টিং কাজের জন্য।
  • ১৩) প্রিন্টারঃ টেস্টের রেজাল্ট ও অন্যান্য ডকুমেন্টস প্রিন্টিং করার জন্য।

®) অন্যান্য আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতিঃ

  • বিভিন্ন সাইজের কাচের বিকার – ১০০০ মিলি, ৫০০ মিলি, ২৫০ মিলি, ১০০ মিলি, ৫০ মিলি
  • বিভিন্ন সাইজের মিজারিং সিলিন্ডার – ২৫০ মিলি, ১৫০ মিলি, ১০০ মিলি, ৫০ মিলি
  • জেলডাল ফ্ল্যাস্ক – ৫০০ মিলি
  • ফ্যাট ফ্ল্যাস্ক – ২৫০ মিলি
  • ভলুমেট্রিক ফ্ল্যাস্ক – ৫০০ মিলি, ২৫০ মিলি
  • কেমিক্যাল জার – ২.৫ লিটার, ১ লিটার, ৫০০ মিলি
  • পেট্রিডিস – (বড়, মাঝারি, ছোট)
  • ক্রুসিবল – ৩০ মিলি
  • গ্লাস রড
  • কাচের ফানেল – ৯০ মিমি
  • পিপেট ( ২৫ মিলি, ১৫ মিলি, ১০ মিলি)
  • পিপেট হোল্ডার র‍্যাক
  • ব্যুরেট – ৫০ মিলি
  • ওয়াস বোতল – ৫০০ মিলি
  • টেস্ট টিউব
  • মেটাল টং (ছোট, মাঝারি ও বড়)
  • স্পাচুলা (ছোট, মাঝারি ও বড়)
  • হোয়াটম্যান ফিল্টার পেপার – ১ নং ও ৪০ নং সাইজ
  • লিটমাস পেপার
  • মসলিন কাপড়
  • সার্জিক্যাল ব্লেড
  • ক্যালকুলেটর
  • রেজিস্টার বই
  • দেয়াল ঘড়ি
  • থিম্বল
  • কটন
  • টিস্যু
  • হ্যান্ড গ্লাভস
  • ফেস মাস্ক
  • এপ্রোন
  • জুতা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here