সাধারণত ফিড মিলের ল্যাবরেটরিতে ফিডের কাচামাল এবং ফিনিশড ফিড এর গুনগত মান পরীক্ষা করা হয়। এই মান পরীক্ষা সাধারণত ৩ টি ধাপে হয়ে থাকে।

  • ১) ফিজিক্যাল টেস্ট
  • ২) কেমিক্যাল টেস্ট
  • ৩) বায়োলজিক্যাল টেস্ট

© ফিজিক্যাল টেস্টঃ

এই অংশে ফিডের কাচামাল এবং উৎপাদিত ফিডের বাহ্যিক গুনাগুন যাচাই করা হয়। যেমনঃ কালার, সাইজ, ঘ্রাণ, ফাঙ্গাস, ডাস্ট (ধুলাময়লা), পেস্ট (পোকামাকড়) ইত্যাদি। তবে আদ্রতা বা ময়েশ্চার টেস্ট ও এই ফিজিক্যাল টেস্টের মধ্যে পড়ে। কিন্তু আমরা মুলত এটাকে প্রক্সিমেট এনালাইসিস এ আলোচনা করব।

® কেমিক্যাল টেস্টঃ

ফিডের কাচামাল এবং উৎপাদিত ফিডের বিভিন্নধরনের কেমিক্যাল টেস্ট করতে হয়। এর মধ্যে প্রক্সিমেট এনালিসিসকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়।

প্রক্সিমেট এনালাইসিস বলতে –

  • ১) ময়েশ্চার,
  • ২) ক্রুড প্রোটিন,
  • ৩) ক্রুড ফাইবার,
  • ৪) ক্রুড ফ্যাট (ইথার এক্সট্রাক্ট) এবং
  • ৫) এ্যাশ টেস্ট

এই ৫ টি টেস্ট কে একত্রে বুঝানো হয়।

  • ৬) NFE টেস্টঃ উপরের ৫ টি টেস্টের রেজাল্ট থেকে আবার সূত্রের সাহায্যে NFE (নাইট্রোজেন ফ্রি এক্সট্রাক্ট) বের করা হয়।
  • ৭) ME টেস্টঃ NFE টেস্টের রেজাল্ট বের হয়ে গেলে,এবার ক্রুড প্রোটিন, ক্রুড ফ্যাট (ইথার এক্সট্রাক্ট) এবং NFE এর রেজাল্ট ব্যবহার করে সূত্রের সাহায্যে ME (মেটাবলিক এনার্জি) রেজাল্ট বের করা হয়।

এই টেস্ট গুলোর পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট করা হয়ে থাকেঃ

  • ৮) NPN (নন-প্রোটিন নাইট্রোজেনাস সাবস্টেন্স) টেস্ট
  • ৯) সিলিকা টেস্ট
  • ১০) ক্যালসিয়াম টেস্ট
  • ১১) ফসফরাস টেস্ট
  • ১২) ইউরিয়েজ এক্টিভিটি টেস্ট
  • ১৩) বিভিন্নরকম টক্সিন টেস্ট
  • ১৪) আর বেশ কিছু টেস্ট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here